বিনোদন

কু-নজর থেকে বাঁচতে ট্যাটু

বিশ্ব জুড়ে ট্যাটু এখন হালের ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। পুরুষ থেকে নারী, সবার শরীরে উল্কি আঁকার চল এখন ছড়িয়ে পড়েছে শহর থেকে শহরতলিতে। তবে শুধু ফ্যাশনই নয়, ট্যাটুকে সম্ভ্রম রক্ষার হাতিয়ার হিসেবেও একন ব্যবহার করছে নারীরা।

পুরুষের নোংরা নজর থেকে বাঁচতে বুকজুড়ে ট্যাটু আঁকিয়ে রাখেন তারা। বাড়ির ছোট ছোট মেয়েদের শরীরে ট্যাটু আঁকার চলও রয়েছে এদের মধ্যে।

বাগ্গা উপজাতি। বাঞ্জাব। অনেক আগে একসময় রাজার নজর থেকে বাড়ির নারীদের বাঁচাতে তাঁদের শরীরের স্পর্শকাতর অংশে ট্যাটু আঁকা শুরু করে এই উপজাতির লোকজন। ১২-২০ বছরের মেয়েদের বুকে, পিঠে ও শরীরের অন্যত্র ট্যাটু এঁকে দেওয়া হয়।

তবে শরীরের নানা সংবেদনশীল অংশে ট্যাটু আঁকতে কঠিন যন্ত্রণা সহ্য করতে হয় নারীদের। সম্ভ্রম রক্ষার কথা মনে করিয়ে দিয়ে ট্যাটু আঁকার সময় নারীদের সাহস জোগান পরিবারের প্রবীণ নারী সদস্যরা। ট্যাটু আঁকার সময় সেই ঘরে পুরুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। অনেক সময় বাগ্গা নারীদের কপাল থেকে ট্যাটু আঁকা শুরু হয়। এরপর একে একে ট্যাটুতে ঢেকে দেওয়া হয় শরীরের অধিকাংশ।

প্রথমে কুমারী মেয়েদের রাজার কুনজর থেকে বাঁচানোর জন্যই বাগ্গা উপজাতির মধ্যে শরীরজুড়ে ট্যাটু আঁকার চল শুরু হয়েছিল। পরে তা-ই সেখানকার ঐতিহ্য হয়ে যায়।