Default

কি খেয়ে মাঠে নেমেছিলেন মুশফিক?

22রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯২ রান তুলেছে বরিশাল, যা এবারের আসরের এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ইনিংস। অর্ধশতকে করেছেন মুশফিক-শাহরিয়ারের।

তৃতীয় উইকেটে শাহরিয়ার ও মুশফিক গড়েছেন ১১২ রানের জুটি। এবারের বিপিএলে এটি প্রথম শতরানের জুটি। তিন ম্যাচে দুজনই করেছেন দ্বিতীয় অর্ধশতক। ৬৩ করে শাহরিয়ার বিদায় নিলেও মুশফিক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৫২ বলে ৮১ রানে।

শাহরিয়ার ও মুশফিকের ব্যাটে সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়ানো। ফরহাদকে ডাউন দা উইকেটে চার মেরে মুশফিকের শুরু। পরের ওভারে প্রিয় স্লগ সুইপে ছক্কা মেহেদী হাসান মিরাজকে।

শাহরিয়ার-মুশফিকের ব্যাট থেকে মাঠের নানা প্রান্তে ছুটতে থাকল বল, উড়তে থাকল নানা দিকে। মাঠের চেয়ে বল বেশি থাকল হাওয়ায় আর গ্যালারিতে! স্যামিকেও স্লগ সুইপে ছক্কা মারলেন মুশফিক। কি খেয়ে মাঠে নেমেছিলেন মুশফিকুর রহিম? এখন প্রশ্ন এটাই, এত জোরে বল হিট করার জন্য আলাদা করে আজ লাঞ্চে কি খেয়েছেন তিনি? এরকম মুশফিককে আগে কখনো দেখেনি ক্রিকেট ভক্তরা।

৫টি চার ও ৪টি ছক্কায় মুশফিক অপরাজিত ৮১ রানে।

প্রথম ১০ ওভারে যে দলের রান ছিল ৬২, পরের ১০ ওভারে সেই বরিশালই তুলল ১৩০ রান। শেষ ৫ ওভারে ৭২!

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১ রানেই ওপেনার রকিবুল হাসানকে হারায় রাজশাহী। তবে অপর ওপেনার মমিনুল হক সাব্বির রহমানকে নিয়ে আক্রমণাত্বক ব্যাটিং শুরু করেন। ১৪ রান করার পর সাব্বির একবার জীবন পান। ব্যক্তিগত ১২ রানে আল-আমিনের বলে থিসারা পেরেরার হাতে ধরা পড়েন মমিনুল। এর আগে জুটিতে আসে ৪৮ রান। পরের বলেই উমর আকমল ফিরে গেলে একটি ছোট্ট ধসের মুখে পড়ে রাজশাহী।

ধস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন ড্যাশিং ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান এবং সামিত প্যাটেল। এর মধ্যে ২৬ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন সাব্বির। ৫০ রানে পৌঁছতে তিনি ৩ চার এবং ৪টি ছক্কা হাঁকান। এরপর থেমে থাকেনি টি-২০ স্পেশালিস্ট। ৫৩ বলে তিন অংকে পৌঁছেন তিনি। বিপিএলের চতুর্থ আসরের প্রথম সেঞ্চুরি আসে তার ব্যাট থেকে। তিন অংকে পৌঁছতে তিনি ৪টি চার এবং ৫টি ছক্কা হাঁকান। তার আগেই অবশ্য ফিরে গেছেন সামিত প্যাটেল (১৫)। সাব্বিরের সঙ্গী হন অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি।

শেষ পর্যন্ত ৬১ বলে ১২২ রান করে থামেন সাব্বির। আল-আমিন হোসেনের বলে দাউইদ মালানের হাতে ধরা পড়েন তিনি। সাব্বিরের স্থলাভিষিক্ত হন নুরুল হাসান। জয় থেকে মাত্র ১০ রান দূরে থাকতে প্যাভিলিয়নে ফেরেন অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। ১৮ বলে ৩ চারে ২৭ রান করে তিনি এমরিতের বলে বোল্ড হয়ে যান।

তখনই মূলত শেষ হয়ে যায় রাজশাহীর আশা। নুরুল হাসান এবং আবুল হাসান মিলে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হন। ৪ রানের অসাধারণ এক জয় তুলে নেয় বরিশাল।

Add Comment

Click here to post a comment



সর্বশেষ খবর