বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্বাস্থ্য

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট: যার লক্ষণ আগে থেকেই প্রকাশ পায়

1কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কিন্তু হঠাৎ করেই ঘটে না। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়, এর আগে ঘণ্টা, দিন বা সপ্তাহ ধরে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে।

এটা হার্ট অ্যাটাক নয়। তার চেয়ে খারাপ। যদি আগে থেকেই লক্ষণগুলো শনাক্ত করা যায়, তবে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সংশ্লিষ্ট গবেষণার কথাগুলো তুলে ধরেছে হাফিংটন পোস্ট। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে হঠাৎ করেই হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়। হৃৎস্পন্দন সৃষ্টির বৈদ্যুতিক পদ্ধতির ছন্দ নষ্ট হয়। সিপিআর পদ্ধতিতে জীবন হয়তো বাঁচানো যেতে পারে। তবে স্বল্প সংখ্যক মানুষ বেঁচে যান।

বিগত এক যুগ ধরে আমেরিকার পোর্টল্যান্ড, ওরিগন এলাকার কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের তথ্য নিয়ে গবেষণা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী, রোগীর স্বজনদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এর দ্বারা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের লক্ষণ সুস্পষ্ট করার চেষ্টা করা হয়।

মধ্যবয়সী অর্ধেকের বেশি রোগীর কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের আগে লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার ঘটনা শনাক্ত হয়। কিন্তু আক্রান্তরা তা বুঝতে পারেননি। বুকে ব্যথা এবং নিঃশ্বাসে সমস্যা লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের মাসখানেক আগে থেকেই এসব লক্ষণ দেখা যায়।

ইউনিভার্সিটি অব পিটার্সবার্গের ইমারজেন্সি মেডিসিন স্পেশালিস্ট ড. ক্লিফটন কলঅ্যাওয়ে বলেন, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যুঝুঁকি অনেক কমিয়ে আনা যায় যদি রোগীরা সচেতনতার সঙ্গে লক্ষণগুলো শনাক্ত করতে পারেন।

আগে ঘটে যাওয়া হার্ট অ্যাটাক, করোনারি হার্ট ডিজিস এবং অন্যান্য সমস্যার কারণে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ঘটতে পারে। আমেরিকায় এটি এমন এক সমস্যা হয়ে দেখা দিচ্ছে যার কারণে জনসাধারণকে সিপিআর পদ্ধতি শেখাতে ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হচ্ছে।

তবে বহু রোগী আছেন যারা লক্ষণ শনাক্ত করতে সক্ষম হন এবং আগে থেকেই চিকিৎসকের কাছে আসেন। আবার অনেকে লক্ষণ সন্দেহে ফোন দেন। এ ক্ষেত্রে সবার সচেতন থাকা উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের লক্ষণ আগে থেকেই কিভাবে স্পষ্ট বোঝা যায়, তার জন্যে আরো গবেষণা প্রয়োজন। এই গবেষণা প্রতিবেদনটি শুরুমাত্র। ঝুঁকির মাত্রায় না পৌঁছেই কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের লক্ষণ বুঝতে পারলে দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

ভিডিওঃ প্রিয়াঙ্কাকে লজ্জা দেবার চেষ্টা! (ভিডিও)

Add Comment

Click here to post a comment