slider অপরাধ/দুর্নীতি জাতীয়

কারাগারে ‘রাজার হালে’ তুফান, দুঃখ করে যা বললেন ধর্ষিতা এবং তার মা

‘আমরা ভালো নাই। আমার বেটিটাও ভালো নাই। মোবাইল ফোনে কথা হইছে, কান্নাকাটি করে। কোনো দিন একা থাকে নাই। এখন শরীর আর মনের কী অবস্থা! এর মধ্যে ও আমারে ছাড়া কেমনে থাকবে!’ ঠিক এভাবেই কষ্টের কথা গুলো বলছিলেন, বগুড়ার চক সূত্রাপুরে ধর্ষণের শিকার সেই তরুণীর মা। এদিকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া শহর শ্রমিক লীগের (বহিষ্কৃত) নেতা তুফান সরকার কারাগারে আরাম-আয়েশেই দিন কাটাচ্ছে। কারা কর্মচারী-কর্মকর্তারা ‘বিশেষ কারণে’ তুফান ও তার সহযোগীদের সেবা-যত্নে কোনো ত্রুটি রাখছে না। বগুড়া কারাগারের একাধিক সূত্র এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

অপরদিকে, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার মেয়েটি রাজশাহীর সেফহোমে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে থাকা তার মাও আছেন মানসিক যন্ত্রণায়। তাঁরা নিজেদের এই অবস্থাকে বন্দিজীবন বলে আখ্যায়িত করছেন। মেয়েটির মা বলছেন, তাঁরা মা-মেয়ে এক সঙ্গে থেকেই তুফান, মারজিয়া হাসান রুমকিসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে চান।

অন্যদিকে আলোচিত এই ধর্ষণ মামলা তদন্তে গড়িমসি করার অভিযোগ উঠেছে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত সুপার) আরিফুর রহমান মণ্ডল তাকে ডেকে পাঠান। তিনি মামলার তদন্তের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। আরিফুর রহমান মণ্ডল বলেন, যেহেতু মামলার আইও’র বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, সে কারণে তাঁকে ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। আলোচিত এই মামলাটির তদন্তে পুলিশের দিক থেকে কোনো করম গাফিলতি করার সুযোগ নেই। ’

Advertisements