অর্থনীতি-ব্যবসা

কমার্শিয়াল ইম্পর্টেন্ট পারসন নির্বাচিত হলেন ১২ প্রবাসী বাংলাদেশী

rদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার ২০১৫ সালের জন্য ১২ প্রবাসী বাংলাদেশীকে সিআইপি (কমার্শিয়াল ইম্পর্টেন্ট পারসন) মর্যাদা দিয়েছে।

‘বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী (রেমিট্যান্স)’ ক্যাটাগরিতে ১০ জন এবং ‘বিদেশে বাংলাদেশী পণ্যের আমদানিকারক’ ক্যাটাগরিতে দুজন সিআইপি মর্যাদা পেয়েছেন।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে রোববার এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়।

রেমিট্যান্স ক্যাটাগরিতে সিআইপি মনোনীতরা হলেন- দুবাই প্রবাসী সিলেট শাহপরানের মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান, চট্টগ্রাম চন্দনাইশের মোহাম্মদ আকতার হোসেইন ও কুমিল্লা কোতোয়ালির আবুল কালাম।

কাতার প্রবাসী ঢাকার বারিধারার আহম্মদ আল জামান, যুক্তরাজ্য প্রবাসী ঢাকার গুলশানের মোহাম্মদ আদনান ইমাম ও মোহাম্মদ আবদুল রহিম সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন।

চট্টগ্রামের রাউজানের ওমান প্রবাসী মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী, দুবাই প্রবাসী কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের ওমর ফারুক, কুমিল্লার কোতয়ালির জেসমিন আক্তার ও চট্টগ্রামের আনোয়ারার ওমান প্রবাসী মোহাম্মদ মোছাদ্দেক চৌধুরীও সিআইপি মর্যাদা পেয়েছেন।

এছাড়া ‘বিদেশে বাংলাদেশী পণ্যের আমদানিকারক’ ক্যাটাগরিতে সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন- চট্টগ্রাম হাটহাজারীর কুয়েত প্রবাসী আবুল কাশেম ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ’র মোহাম্মদ সেলিম।

নির্বাচিত সিআইপিরা এক বছর পর্যন্ত (প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ ৪ ডিসেম্বর থেকে) বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

সিআইপি কার্ডের মেয়াদকালীন তারা বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশপত্র পাবেন ও সরকার নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট বিষয় নীতিনির্ধারণী কমিটিতে সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

এছাড়া সিআইপিরা দেশ ও বিদেশে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অগ্রাধিকার পাবেন। বিজয় দিবস, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, একুশে ফেব্রুয়ারি, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হবেন।

সিআইপি কার্ডধারীরা ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেল, সড়ক ও জলযানে আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। বিমান বন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহার এবং স্পেশাল হ্যান্ডলিংয়ের সুবিধা পাবেন।

সিআইপিরা নিজের এবং স্ত্রী ও সন্তানদের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। এছাড়া বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

Add Comment

Click here to post a comment