খেলা-ধুলা

কঠিন বিপদে দেশীয় ক্রিকেটাররা

বিপিএলের পঞ্চম আসরে মোট আটটি দল খেলার কথা ছিল। কিন্তু আর্থিক নিশ্চয়তা দিতে না পারায় বাদ দেওয়া হয়েছে বরিশাল বুলসকে। ফলে বিপিএল হবে সাত দল নিয়ে। এবারের আসরে ফিরেছে সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজি।

এবারের বিপিএলের জন্য নতুন নিয়ম করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। একাদশে সর্বোচ্চ পাঁচ বিদেশি ক্রিকেটার খেলানো যাবে। প্রথম দুই আসরেও পাঁচজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলেছিল। পরের দুই আসরে সেটি কমে হয় চারজন। দুই বছর পর আবার পাঁচ বিদেশির নিয়মে ফিরেছে বিপিএল। আয়োজকদের ব্যাখ্যা, ফ্র্যাঞ্চাইজিদের চাওয়াতেই পাঁচজন বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর অনুমতি দিয়েছেন তারা।

একাদশে বিদেশি ক্রিকেটারের সংখ্যা বাড়ায় এবং দল কমে যাওয়ায় দেশি ক্রিকেটারদের দল পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। দল কমলেও যে বিদেশি ক্রিকেটারের সংখ্যা কমানো হবে না বলে নিশ্চিত করেছেন গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক। ফলে দেশি ক্রিকেটাররা কম সুযোগ পেতে যাচ্ছেন, তা বলাই যায়।

এক দলে দেশি ক্রিকেটার থাকবেন সর্বোচ্চ ১৩ বা ১৪ জন। সাত দলে এ সংখ্যা ৯১ থেকে ৯৮ জন। দল কমায় কমপক্ষে ১৩ ক্রিকেটারের কপাল পুড়ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জাতীয় দল, এইচপি দলের ক্রিকেটারদের বাইরে ঘরোয়া ক্রিকেটের সেরা পারফরমাররাই বিপিএলে খেলবেন। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর হবে প্লেয়ার বাই চয়েজ। সেখানেই ফ্র্যাঞ্চাইজিরা ক্রিকেটারদের দলে টানবেন।

দল কমায় এবং পাঁচ বিদেশি ক্রিকেটারের অংশগ্রহণকে ইতিবাচক মনে করছেন না ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল। তার মতে,‘পাঁচ বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর নিয়ম করা হয়েছিল আট দলের কারণে। এখন দলসংখ্যা সাতটি। দল কমে যাওয়ায় বিদেশির সংখ্যাও কমানো উচিত! একটি দল কমে যাওয়া মানে কমপক্ষে ১৩ ক্রিকেটার বসে থাকা। পাশাপাশি ম্যাচেও থাকবে মাত্র ছয়জন। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা আরো বেশি দাঁড়াচ্ছে।’

বিদেশি ক্রিকেটারের সংখ্যা না কমানোর সিদ্ধান্তে অনড় আয়োজকরা। ইসমাইল হায়দার মল্লিক বললেন, ‘ফ্র্যাঞ্চাইজিদের চাওয়া মতো আমরা সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম পাঁচ বিদেশি ক্রিকেটার খেলানো হবে। এখন দল কমেছে, কিন্তু ফ্র্যাঞ্চাইজিদের পক্ষ থেকে আপত্তি আসবে। ফলে পূর্বের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে নতুন করে বিদেশি ক্রিকেটার কমানো আমাদের পক্ষে কঠিন কাজ।’



সর্বশেষ খবর