খেলা-ধুলা

একদিনের ম্যাচ খেলার আশা ছাড়েননি ‘ক্যারিবীয় দানব’ গেইল

একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শেষবার ক্রিস গেইলকে দেখা গিয়েছিল ২০১৫ বিশ্বকাপে। বোর্ডের সঙ্গে ঝামেলার জন্য কোয়ার্টার ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচটিই তার ‘শেষ ম্যাচ’ হয়ে ছিল এতদিন। তবে একদিনের ম্যাচ খেলার আশা ছাড়েননি ‘ক্যারিবীয় দানব’ খ্যাত এই ক্রিকেটার। তার আশা বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি সংক্রান্ত ঝামেলা মিটলেই আবার একদিনের দলে জায়গা পাবেন তিনি। এজন্য ফিটনেস নিয়ে খুব খাটাখাটনিও করছেন গেইল।

আইসিসি ক্রমতালিকায় প্রথম আট দলের মধ্যে না থাকায় সম্প্রতি হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশগ্রহন করতে পারেনি একদা ক্রিকেটের ‘পাওয়ার হাউজ’ খ্যাত উইন্ডিজ। ২০১৯ বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পেতে ক্রমতালিকায় প্রথম ৮ দলের মধ্যে থাকতেই হবে। সেজন্যই চলতি বছরের শুরুতেই ক্যারিবীয়ান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাচক কোর্টনি ব্রাউনি বলেছিলেন, যাদের পারফরম্যান্স ভালো তারাই জাতীয় দলে জায়গা পাবে।

এই কথাটাই গেইলকে নতুন অক্সিজেন দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘২০১৯ আসতে খুব একটা দেরি নেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে আমাকে মাঠে ফিরতে দেখে ভক্তরা খুশি হয়েছিল। আশা করি সবকিছু আরও ভালো হবে। অবশ্যই ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলতে চাই আমি। ক্রিকেটের কথা ভেবে আমাদের সমস্ত ঝামেলা মিটিয়ে নিতে হবে। নাহলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মতো বিশ্বকাপেও আমরা অংশ নিতে পারব না। ‘

কয়েকদিন আগে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে খেলেছেন গেইল। তবে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। একটি করে ছক্কা ও চার হাঁকিয়ে ১৭ রান করে ফিরেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বিধ্বংসী সেঞ্চুরি করে ওই ম্যাচের সব আলো কেড়ে নিয়েছিলেন এভিন লুইস। সেটি ছিল ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলে তার প্রথম ম্যাচ। সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের বিপক্ষে।

তবে জাতীয় দলের হয়ে ফিরতে ৩৭ বছর বয়সী গেইলের প্রধান সমস্যা হলো নিজের ফিটনেস। গত বেশ কিছুদিন ধরেই বিধ্বংসী চেহারায় নেই তিনি। মনে হচ্ছে, রিফ্লেক্স কমে গেছে বিস্ফোরক এই ওপেনারের। গেইল জানালেন, ‘এখনও আমি জিমে বেশ সক্রিয়, কাজ করে যাচ্ছি। চেষ্টা করছি শরীর ঠিকঠাক রাখতে। অনেক অনেক ভ্রমণ করতে হয় আমার। তাই চেষ্টা করছি সূচি ও ট্রেনিং ঠিকমত দেখভাল করতে। ‘