খেলা-ধুলা

এই অপমান কি ভারত সইতে পারবে!

ভারতের স্বপ্নভঙ্গ। এবছরের মতো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ঘরে তোলা হল না বিরাট কোহলির দলের। লজ্জাজনক হারে ওভালের ফাইনালে ১৮০ রানে হেরে গেল ভারত। তাও আবার চীরশত্রু পাকিস্তানের কাছে এমন অপমান সহ্য করতে কি পারবে ভারত।

টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। কিন্তু ভাগ্য প্রথম থেকেই ছিল পাক ব্যাটসম্যানদের সহায়। প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান যে ৩৩৮ তুলে ফেলবে তা অতি বড় ক্রিকেট বিশেষজ্ঞও ভাবতে পারেননি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে দুই পাক ওপেনার আজহার আলি ও ফাখর জামান ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান যোগ করে দলের ভিত মজবুত করে দিয়েছিলেন।

আজহার আলি যখন রান আউট হয়ে ফিরছেন, দলের রান তখন ১২৮। ৭১টি বল খেলে ৫৯ রান করেছেন আজহার আলি। মেরেছেন ৬টি বাউন্ডারি ও ১টি ওভার বাউন্ডারি।

আজহার আলি আউট হলেও থামানো যায়নি ফাখর জামানকে। জীবনের প্রথম শতরানটা করেই থামলেন তিনি। ১০৬ বলে শেষপর্যন্ত ১১৪ রান করেন ফাখর। ইনিংস সাজানো ছিল ১২টি চার ও ৩টি ছয়ের দ্বারা।

ফাখর আউট হওয়ার পর পাক ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান বাবর আজম ও মহম্মদ হাফিজ। বাবর ৪৬ রানে আউট হলেও ৩৭ বলে অপরাজিত ৫৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে যান হাফিজ। মারলেন ৪টি চার ও ৩টি ছয়। ইমাদ ওয়াসিম করলেন ২৫। পাকিস্তান থামল ৪ উইকেটে ৩৩৮ রানে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সেই তেজ ফাইনালে দেখা গেল না। দুই স্পিনার অশ্বিন ও জাদেজা একেবারে ব্যর্থ।

একমাত্র ভুবনেশ্বর কুমার ও হার্দিক পাণ্ডিয়া ঠিকঠাক জায়গায় বলটা ফেলেছেন। বুমরা তো ফাখরকে ইনিংসের শুরুতেই তুলে নিয়েছিলেন। কিন্তু নো হওয়ায় বেঁচে যান ফাখার। তিনিই কিন্তু ভারতের জয়ের পথটা কঠিন করে দিয়ে গেলেন। ‌

রান তাড়া করতে নেমে প্রথম থেকেই আগুন ঝরাতে শুরু করেন বিতর্কিত পাক পেসার মহম্মদ আমির। প্রথম দুটি স্পেলে ৬ ওভার বল করে ২ টি মেডেন নিয়ে তুলে নেন ৩টি উইকেট। রোহিত শর্মাকে ০ রানে ফিরিয়ে ভারতীয় শিবিরে প্রথম ঝটকাটা তিনিই দেন। তারপরেই ফেরান অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। বিরাটের ক্যাচ একবার স্লিপে পড়লেও শেষরক্ষা হয়নি।

পরের বলেই ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ তুলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন বিরাট। সামান্য লড়াইয়ের পরে শেখর ধাওয়ানকেও (‌২১)‌ আউট করেন আমির। এরপরে যুবরাজ সিং–কে ফেরান স্পিনার সাদাব খান। ম্যাচের ভাগ্য তখনই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। শেষ আশা হিসাবে উইকেটে ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি আউট হতেই সব আশা শেষ হয়ে যায়।



আজকের জনপ্রিয় খবরঃ

গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ:

  1. বুখারী শরীফ Android App: Download করে প্রতিদিন ২টি হাদিস পড়ুন।
  2. পুলিশ ও RAB এর ফোন নম্বর অ্যাপটি ডাউনলোড করে আপনার ফোনে সংগ্রহ করে রাখুন।
  3. প্রতিদিন আজকের দিনের ইতিহাস পড়ুন Android App থেকে। Download করুন