Advertisements
slider জাতীয় রাজনীতি

ইমেজ ড্যামেজওয়ালারা নৌকা পাবে না : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যাদের ইমেজ ড্যামেজ হয়ে গেছে, তাদের আগামীতে নৌকার টিকিট দেয়া হবে না। সোমবার দুপুরে যশোর জেলা ছাত্রলীগের ১৭ম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, যারা অসুস্থ রাজনীতি করে, মারামারি-দলাদলি করার জন্য সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয় তারাও দলের মনোনয়ন পাবে না।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন- আমি নোয়াখালী থেকে রাজনীতি করে উঠে এসেছি। এখন দলের সাধারণ সম্পাদক। তোমারাও আওয়ামী লীগের আগামী দিনের কাণ্ডারী। তোমরা সুস্থধারার রাজনীতি করবে। চরিত্রবান হবে। লেখাপড়া করে মেধাবী হবে। মেধাবীরাই রাজনীতিতে সফল হয়।

যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ ও আবদুর রহমান, সদস্য এসএম কামাল হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী সাইফুজ্জামান শিখর ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন।

এর আগে সম্মেলনে উদ্বোধন করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ। সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদ।

রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিএনপির বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা মিথ্যাচারের ভাঙা রেকর্ড বাজাচ্ছে। আওয়ামী লীগ মিথ্যাচারের রাজনীতি করে না। যা প্রকাশ্য দিবালোকের মতো সত্য, সেই কথাটিই আমরা বলছি।

তিনি বলেন, ইউনেসকো কিছু শর্ত দিয়েছে। ছোট ছোট সেই শর্ত আমরা অবশ্যই পূরণ করবো। একেবারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে- এটি সত্য নয়। আমরা বাধাটা জনগণের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে, পরিবেশের স্বার্থে অবশ্যই সংশোধন করবো।

বিএনপির আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, তারা বসে বসে প্রেস ব্রিফিং করে আর কান্নাকাটি করে। কর্মীদের জন্য বলে তারা মায়া লাগে। কিন্তু তারা তো আমাদের হাজার হাজার কর্মীকে হত্যা করে রক্তস্রোত বইয়ে দিয়েছে। কাঁদতে কাঁদতে আমাদের চোখের পানি শুকিয়ে গেছে।

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষে বাদশাহ ফয়সল ইন্সিটিটিউটে জেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিলদের নিয়ে বসা হয়। সমোঝতার মাধ্যমে জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠন না করা গেলে ভোট হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুটি গ্রুপের বিভাজনে ২০১০ সালের ১৪ মার্চ জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সম্মেলন স্থগিত করতে বাধ্য হন। এ ঘটনার পরদিন সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক দাদা রিপনকে হত্যা করে দলীয় প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা। পরবর্তীতে ২০১১ সালের ১০ জুলাই সমঝোতার ভিত্তিতে কেন্দ্র থেকে আরিফুল ইসলাম রিয়াদকে সভাপতি ও আনোয়ার হোসেন বিপুলকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে যশোর জেলা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

Advertisements