বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আলোর গতি পেতে চলেছে মানুষ? কী বলছে নাসা?

%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81-324x215যদি এই যান নির্মাণ সফল হয়, তা হলে তা পৃথিবীর নিকটতম ছায়াপথ আলফা সেন্টাউরিতে পৌঁছতে সময় নেবে মাত্র ২০ বছর।

আলোর গতিকে ছুঁতে পারার স্বপ্ন কল্পবিজ্ঞান কাহিনিতেই আবদ্ধ ছিল। সেই কল্পনাকেই কি বাস্তবায়িত করতে চলেছে নাসা? আর এই প্রকল্পে নাসা-র সঙ্গ দিচ্ছেন আর এক স্বপ্নপুরুষ, স্টিফেন হকিং।

নাসা-র বিজ্ঞানীরা হকিংয়ের সঙ্গে এক প্রোজেক্টে হাত লাগিয়েছেন, যার উদ্দেশ্য এমন একটি ন্যানো মহাকাশযান নির্মাণ, যার গতিবেগ হবে আলোর গতির পাঁচভাগের একভাগ। যদি এই যান নির্মাণ সফল হয়, তা হলে তা পৃথিবীর নিকটতম ছায়াপথ আলফা সেন্টাউরিতে পৌঁছতে সময় নেবে মাত্র ২০ বছর।

সম্ভাব্য যানটির নাম রাখা হয়েছে ‘স্টারচিপ’। হকিং জানিয়েছেন, কোরিয়া ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাঁকে এই কাজে সহায়তা করছে। এই প্রকল্পে সবথেকে বড় প্রশ্ন হল, দুই-দুই চার দশকের যাত্রাপথে যানটি অটুট থাকবে তো? এই সমস্যার সমাধানেই এগিয়ে এসেছে নাসা। সান ফ্রান্সিসকোয় চলতি ইন্টারন্যশনাল ইলেক্ট্রন ডিভাইসেস মিটিং-য়ে নাসা-র বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তাঁরা যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার সমাধান করতে চাইছেন। তাঁদের মতে, মহাকাশের উচ্চ বিকিরণসম্পন্ন এলাকাগুলিতে যানের গতি নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন। কিন্তু তাতে এর গতি সার্বিকভাবেই কমবে। তা ছাড়া, যানটিকে কোনও প্রতিরক্ষা-বর্ণ পরালে তার আয়তন বেড়ে যাবে। তখনও গতি কমে আসার সম্ভাবনা ‌থাকবে। সিলিকন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছেন তাঁরা, জানান নাসা-র বিশেষজ্ঞরা।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Add Comment

Click here to post a comment