খেলা-ধুলা

আবারও ব্যর্থ ইমরুল কায়েস

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ সামনে রেখে চট্টগ্রামে চলছে জাতীয় দলের প্রস্তুতি ম্যাচ। ৩ দিনের ম্যাচের আজ দ্বিতীয় দিনেও যথারীতি বৃষ্টির বাগাড়া এসেছে একাধিকবার। খেলা শুরু হতে যেমন দেরি হয়েছে, তেমনি বৃষ্টির কারণেই নির্দিষ্ট সময়ের আগে বন্ধ করতে হয়েছে খেলা। তামিম একাদশের মুমিনুল সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেছেন। এছাড়া হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন নাসির হোসেন এবং তানবীর হায়দার। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে যথারীতি আউট হয়েছেন ইমরুল কায়েস।

চট্টগ্রামের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে ৯ উইকেটে ১৪০ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছিল মুশফিকের দল। আজ দ্বিতীয় দিনে ২৮৩ রানে অলআউট হয়েছে তামিমের দল। আগের দিনের অপরাজিত তামিম দারুণ সাবলীল খেলছিলেন। বড় স্কোর গড়ার ইচ্ছাই ছিল তার মধ্যে কিন্তু মুমিনুলের ডাকে সাড়া দিয়ে কাভার থেকে মাহমুদুল্লাহর সরাসরি থ্রোতে রান আউট হয়ে যান ২৯ রানে।

এরপর সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ১৩৫ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ৭৩ রান করে স্পিনার সাকলাইন সজীবের বলে ক্যাচ তুলে দেন।
তার আগেই অবশ্য তাইজুলের বলে বোল্ড হয়ে ১০ রান করে ফিরে যান নিজেকে হারিয়ে খোঁজা সাব্বির রহমান। এরপর দারুণ ব্যাট করতে থাকেন ‘দ্য ফিনিশার’ খ্যাত নাসির হোসেন। তার ৯২ বলে ৩ চার এবং ৩ ছক্কায় ৬২ রানের ইনিংসটি শেষ হয় তরুণ অফ স্পিনার নাঈমের বলে ক্যাচ দিয়ে।

জাতীয় দলে এসে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়া তানবীর হায়দারও এদিন হাফ সেঞ্চুরি করেন। ৬১ বলে তার সংগ্রহ ৫১ রান। তবে এই পারফর্মেন্স তাকে জাতীয় দলে আবার ফেরাবে কিনা সেটা অনেক ভাবনার বিষয়। অন্যদিকে মুশফিকের দলের সবচেয়ে ভালো বোলার ছিলেন পেসার রুবেল হোসেন। দারুন গতি, বাউন্স আর নিয়ন্ত্রণে তিনি ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন। সমান ৩ উইকেট নিলেও মন ভরাতে পারেননি সাকলাইন সজীব।

তামিমদের ইনিংস শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামে মুশফিকের দল। প্রথম ইনিংসের মত একইভাবে আউট ইমরুল কায়েস। শিকারী হলেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। তার প্রথম দুই বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে তৃতীয় বলে পয়েন্টে ক্যাচ তুলে দিলেন ইমরুল। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে যে দুজন ব্যাটসম্যান উইকেটে ছিলেন তাদের নামে কিন্তু বেশ মিল আছে- সৌম্য ও শান্ত! কিন্তু সবাই জানে, দুজনের ব্যাট কিন্তু নামের বিপরীত কথাই বলে।