বিনোদন

আজ খলিলের দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী

1আজ বুধবার প্রয়াত চলচ্চিত্রাভিনেতা খলিলের দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী। গুণী এই চলচ্চিত্রাভিনেতার মৃত্যুতে তার পরিবার এবং শিল্পী সমিতি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।

শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতি ওমরসানী বলেন,‘ খলিল ভাই আমাদের চলচ্চিত্রের অভিভাবক ছিলেন। তার মৃত্যুতে সত্যিই আমরা দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি, আমরা সত্যিকারের একজন ভালো মনের মানুষ, একজন অভিভাবককে হারালাম। তার প্রয়াণে যে শূণ্যতা তৈরী হয়েছে সেটা আসলেই পূরণ হবার নয়। তার বিদেহী আতœার মাগফেরাত কামনা করে আ জবাদ আছর বিএফডিসি’র মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। সবাইকে এতে অংশগ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এদিকে খলিলের দ্বিতীয় ছেলে মুসা খান জানান আজ বাদ যোহর তার কবরস্থানে পরিবার এবং মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হবে। বাদ মাগরিব খলিলের নূরজাহান রোডের বাসায় মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী ৯ ডিসেম্বর ‘শৈশব মেলা বাংলাদেশ’র আয়োজনে মোহাম্মদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাদ জুম্মা কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

‘শৈশব মেলা বাংলাদেশ’র প্রতিষ্ঠাতা গোলাম কিবরিয়া অপু। এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন খলিল। জীবনের শেষ সময়ে এসে তিনি এর উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। আটশো’রও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন খলিল। তবে একটিমাত্র ছবিতে অভিনয়ের জন্য বহুবছর আগে একবারই পেয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। চিত্রনায়িকা কবরী প্রযোজিত আলমগীর কুমকুম পরিচালিত ‘গুন্ডা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।

অভিনেতা খলিলের জন্ম ১৯৩২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে। কলিম শরাফী ও জহির রায়হান পরিচালিত ‘সোনার কাজল’ ছবিতে নায়ক হিসেবে খলিলের অভিষেক ঘটে চলচ্চিত্রে। সোনার কাজলের পর নায়ক হিসেবে ভাওয়াল সন্নাসী, প্রীত না জানে রীত, কাজল, জংলীফুল, সঙ্গমসহ আরও বেশ কয়েকটি ছবিতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন খলিল। এস এম পারভেজ পরিচালিত ‘বেগানা’ ছবিতে প্রথম খলনায়ক হিসেবে খলিল অভিনয় করেন। ছবি পরিচালনা না করলেও দুটি ছবি প্রযোজনা করেছিলেন তিনি। একটি ‘সিপাহী’ অন্যটি ‘এই ঘর এই সংসার’। সিপাহী ছবিটি নির্দেশনা দিয়েছিলেন কাজী হায়াৎ। ছবিটি বেশ ভালো ব্যবসা করেছিলো। তবে তারচেয়েও বেশি ব্যবসা সফল হয়েছিলো মালেক আফসারী পরিচালিত‘ এই ঘর এই সংসার’ ছবিটি।

Add Comment

Click here to post a comment