খেলা-ধুলা

অভিষেকেই সেঞ্চুরি জেনিংসের, চাপে ভারত

1অভিষেকেই বাজিমাত কিটন জেনিংসের। ইংল্যান্ডের হয়ে কুকের সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছিলেন জেনিংস। অধিনায়ক ফিরে গেলেও ক্রিজে পড়েছিলেন তিনি। যার ফল অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তিনি। প্রথম দিনে রান পৌঁছল ২৮৮তে।

চতুর্থ টেস্টের গুরুত্ব দুই দলের কাছেই তুঙ্গে। যদিও অ্যাডভান্টেজে ভারতই। কারণ পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ইতিমধ্যেই ২-০তে এগিয়ে গিয়েছে ভারত। সিরিজ হারের আর কোনও জায়গা নেই। তবে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে চতুর্থ এই টেস্ট ভারতের কাছে ততটাই গুরুত্বপূর্ণ ঠিক যতটা ইংল্যান্ডের কাছে। ইংল্যান্ডও নিশ্চিত সিরিজ জয় আর হবে না।

তবে সিরিজ ড্র রেখে শেষ করতে মরিয়া কুকরা। যে কারণে জিততেই হবে মুম্বাই টেস্ট। ভারত এই টেস্ট জিতলে বা ড্র করলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে নেবে ভারত। সেই পথে হাঁটতে নারাজ ইংল্যান্ড।

টস জিতে প্রথম বাজিমাতটা করেই ফেলেছেন রুট, স্টোকসরা। ভারতের মাঠে প্রথমে ব্যাটিংটাই ম্যাচে অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। যদিও প্রথম টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে জয় ছিনিয়ে নিতে পারেনি ইংল্যান্ড। ওয়াংখেড়ে ইংল্যান্ডের পয়া মাঠ। সেখান থেকেই জয়ের মুখ দেখতে চায় ব্রিটিশরা।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অ্যালিস্টার কুক। ওপেন করতে নেমে ৪৬ রান করে প্যাভেলিয়নে ফেরেন স্বয়ং অধিনায়ক। আর এক ওপেনার কিটন জেনিংস হাল ধরেন ইংল্যান্ড ইনিংসের। ২১৯ বল খেলে জেনিংসের ব্যাট থেকে আসে ১১২ রান। এই ইনিংস সাজানো ছিল ১৩টি বাউন্ডারিতে। কুক আউট হওয়ার পর তিন নম্বরে ব্যাট করতে এসে ইংল্যান্ড ইনিংসকে ভরসা দিতে পারেননি জো রুট। ২১ রান করেই অশ্বিনের বলে কোহালিকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এর পর জেনিংসকে যোগ্য সঙ্গত মঈন আলির। অশ্বিনের বলে বোল্ড হওয়ার আগে হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি। এই দু’য়ের ব্যাটে ভর করে প্রথম দিনের খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত ইংল্যান্ড ২৮৮/৫। বেয়ারস্টো আউট হন ১৪ রানে। এই মুহূর্তে ক্রিজে রয়েছেন স্টোকস (২৫) ও বাটলার (১৮)।

ভারতের হয়ে বল হাতে প্রথম দিনই বাজিমাত রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। ৩০ ওভার বল করে ৭৫ রান দিয়ে চার উইকেট লিখে নিজের নামে। তার মধ্যে তিনটি মেডেন। একটি উইকেট রবীন্দ্র জাডেজার। শুরুতেই কুককে প্যাভেলিয়নে ফিরিয়ে ইংল্যান্ড ইনিংসকে ধাক্কা দিয়েছিলেন তিনিই।

ভিডিওঃ আমার একসঙ্গে চার-পাঁচ জন পুরুষ দরকার : শ্রীলেখা

Add Comment

Click here to post a comment